logo
add image
Blog single photo

Starting Salary for programmer

কিছুদিন আগে ফেসবুকে  স্টার্টিং সেলারির বিষয় নিয়ে অনেকেই অনেক রকম মতামত পোষণ করছিলেন, আমার এবার এর সংগ্রহের তালিকায় আমি তুলে এনেছি সম্মানিত জালাল উদ্দীন স্যার এর এই বিষয় নিয়ে একটা লেখা। 

জব সাইটে ফ্রেশার সেলারি ১০-১২ হাজার দেখে অনেকে ক্ষেপে যাচ্ছেন।

মূলত কোম্পানিগুলো শুরুতে সেলারি কম দিতে চায়, কারণ কোম্পানির অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে যেখানে ফ্রেশার নিয়ে দেখা যায় সে কাজ পারে না, তাকে বাদ দিতে হয়েছে। ৩ মাস যদি তাকে সেলারি দিতে হয় সেটা কোম্পানির জন্য লস। এমন যদি হত যে ১০ জনে ১-২ জন এটা ঘটায় তাহলে আলাদা বিষয় ছিল। দেখা যায় ১০ জনে ৮ জনই বাদ দেয়ার মত ১-২ জন ভালো। আর যারা ভালো তারাও আবার কিছুদিন পর চলে যায় বড় কোম্পানিতে।

তাই অনেক কোম্পানিই শুরুতে কম সেলারি হাঁকে যাচাই করার জন্য। কিন্তু যখন দক্ষতা প্রমাণ হয়, তখন সেটা বাড়িয়ে দেয়।

আমি প্রথম জব করেছিলাম ৩,০০০ টাকায়। তবে তখনও পাস করিনি। পাস করার পর ফুল টাইম একটি জব অফার পাই, বেতন ৮০০০ টাকা ছিল। আমার এক বন্ধু তখন ৮০০০ এই জয়েন করেছে। কিন্তু আমি আশা করেছিলাম ১৫০০০। ২ বছর পর দেখা গেল আমার বেতন ৩৫,০০০ আর আমার বন্ধুর ৬০,০০০। আবার ৫ বছর পর আমার বন্ধু যখন ১ লাখ পাচ্ছে, আমি পাচ্ছিলাম ২ লাখ।

আমরা বুঝি না যে সেলারি আসলে নিজের দক্ষতার উপর নির্ভর করে। আমি কিভাবে প্রোগ্রেস করছি, সেটার সাথে এটা আনুপাতিক হারে বাড়ে।

তাই শুরুর সেলারি নিয়ে বেশি গাইগুই করে অযথা সময় নষ্ট না করে, মোটামুটি সেলারি মিলে গেলে ও কোম্পানির কাজের প্রসেস ভালো হলে জয়েন করাই ভালো। যদি কোম্পানি ভালো না হয়, বেশি সেলারিতে জয়েন করে পরে দেখবেন কিছু শিখতে পারবেন না, বা এরপর আর সেলারি বাড়াবে না। কাজেই ভালো ম্যানেজমেন্ট ও ভালো কাজের প্রসেস আছে এমন কোম্পানি স্টার্টিং সেলারির থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

না হলে একদিন দেখবেন আপনি ৩০,০০০ এ জয়েন করে ৫ বছর পর ৫০,০০০ এ পরে আছেন, আর আপনার ফ্রেন্ড ১৫,০০০ তে জয়েন করে ৫ বছর পর ১,৫০,০০০ কামাচ্ছে। স্কিল ও ক্যারিয়ার উন্নত করায় মন দিন। সেলারি আপনা আপনি বেড়ে যাবে।


Top